‘আমি মিসেস জামাল আনোয়ার। আমার হাজব্যান্ড ডক্টর জামাল আনোয়ার জার্মানিতে ছিল। কবির মেজো ছেলে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মারা যায়। বাবার স্মৃতি সব জায়গায় সে ধরে রাখতে চেয়েছিল। জার্মানি থেকে বছরে দুইবার-তিনবারও আসছে এই বাড়ির জন্য। এসে ৯-১০ মাস প্রতিবার থাকছে—এই স্মৃতিটা ধরার জন্য।’
শিরোনাম
- স্মার্টফোনের স্ক্রিনে হারিয়ে যাচ্ছে দাম্পত্যের গল্প
- * * * *
- নেটফ্লিক্সে জিটিএ ৬-এর ‘এক্সটেন্ডেড লুক’, দেখা যাবে না বাংলাদেশে!
- * * * *
- দুই মাসের গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে পরিশোধ করতে চায় বিকেএমইএ
- * * * *
- পর্যাপ্ত ঘুমে ঝরবে শরীরের মেদ
- * * * *
- স্মার্টওয়াচের পেছনে সবুজ আলো কেন জ্বলে? জেনে নিন এর কাজ
- * * * *